dailyjanakantha.com · Mar 1, 2026 · Collected from GDELT
Published: 20260301T161500Z
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কায় জরুরি প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাকে পূর্ণাঙ্গ জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা সক্রিয় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র কাং ইউ-জং জানান, সিঙ্গাপুর ও ফিলিপাইনে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রওনা হওয়ার সময়ই প্রেসিডেন্ট এ নির্দেশনা দেন। সফরকালীন সময় থেকেই তিনি প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত দক্ষিণ কোরীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরান ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিদেশে থাকা কোরীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বহুমাত্রিক ও বহুস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিকল্পনা ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট Lee Jae-myung কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি এবং এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে নিয়মিত ও বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে। বিশেষ করে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত কোরীয় নাগরিকদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বিমান হামলার পর শনিবার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করে। বৈঠকে ইরানসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের প্রস্তুতি, গৃহীত পদক্ষেপ ও বিকল্প পরিকল্পনা তুলে ধরে। জাতীয় নিরাপত্তা কার্যালয় জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতি দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে তা বৈঠকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত কোরীয় নাগরিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান ও নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।