NewsWorld
PredictionsDigestsScorecardTimelinesArticles
NewsWorld
HomePredictionsDigestsScorecardTimelinesArticlesWorldTechnologyPoliticsBusiness
AI-powered predictive news aggregation© 2026 NewsWorld. All rights reserved.
Trending
TrumpTariffTradeFebruaryStrikesAnnounceLaunchNewsPricesMajorMilitaryHongKongCourtDigestSundayTimelineChinaTechSafetyGlobalMarketTestStocks
TrumpTariffTradeFebruaryStrikesAnnounceLaunchNewsPricesMajorMilitaryHongKongCourtDigestSundayTimelineChinaTechSafetyGlobalMarketTestStocks
All Articles
dailyinqilab.com
Published 8 days ago

ভোট হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের

dailyinqilab.com · Feb 14, 2026 · Collected from GDELT

Summary

Published: 20260214T183000Z

Full Article

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে। একই সাথে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে। তবে তারা ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যা আশাব্যঞ্জক নয় বলে হতাশা ব্যক্ত করেছে। অন্যদিকে, কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল বলেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমনের ঘটনা দেখা যায়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মূল্যায়ন নিয়ে গতকাল শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন মিশন প্রধান ইভার্স ইজাবস। ইভার্স ইজাবস বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে। নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে কাজ করতে পেরেছে। তিনি বলেন, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক শাসন এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে। ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো, নির্বাচন সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক ছিল, একটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়েছিল; যা মূলত আন্তর্জাতিক মানদ-ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে ব্যাপকভাবে মর্যাদাপূর্ণ করে।ইভার্স ইজাবস বলেন, বিক্ষিপ্ত স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতা, যাইহোক না কেন, প্রায়শই ম্যানিপুলেটেড অনলাইন আখ্যান দ্বারা সৃষ্ট হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ইইউর পর্যবেক্ষক প্রধান বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে ও স্বচ্ছভাবে স্টেকহোল্ডারদের আস্থা বজায় রেখে এবং নির্বাচনের অখ-তা সমুন্নত রেখে কাজ করেছে। মিশনটি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, নির্বাচনী আইনি কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য পরিচালিত হয় এবং ২০২৫ সালের সংশোধনী অন্তর্ভুক্তি এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকে শক্তিশালী করে। আইনি নিশ্চয়তা বাড়ানোর জন্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতা হ্রাস করে এমন ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করার জন্য আরও সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, সদ্য নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রতি জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের জন্য একটি সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে এবং আমরা লক্ষ্য করেছি, অন্তর্বর্তী সরকার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা কমিশনকে যে সমর্থন দিয়েছিলেন কমিশন স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছে। সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের দ্রুত জবাব দিয়েছে, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য ভাগ করে নিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গেছে। ইভার্স ইজাবস বলেন, দুঃখজনকভাবে, নারী প্রার্থীরা এই নির্বাচনে প্রায় অনুপস্থিত ছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশ নারী ছিলেন, বিএনপি ১০ জন এবং এনসিপি দুই জন প্রার্থী দাঁড় করান; যেখানে জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য ৩০টি দলের কোনও প্রার্থী ছিল না; যা জুলাই সনদে আপাত প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও জাতীয় রাজনীতিতে নারীদের এগিয়ে নেওয়ার রাজনৈতিক সদিচ্ছার স্পষ্ট অভাব প্রমাণ করে। অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে পুরুষতন্ত্র, বৈষম্য, ডিজিটাল এবং শারীরিক হয়রানি। তিনি বলেন, আদিবাসী সম্প্রদায় এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার অনুপস্থিতির কারণে তাদের অবস্থার উন্নতির আশা ধূলিসাৎ করেছিল। তারা অনলাইনসহ জনসাধারণের বক্তৃতার মধ্যে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় আভাস নিয়েও উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং শারীরিক সহিংসতার একটি দৃঢ় ভয় প্রকাশ করে। তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সহিংসতা শীর্ষে পৌঁছেছিল, তবে এই ঘটনাগুলোর প্রভাব স্থানীয়ভাবে রয়ে গেছে এবং কোনও নিয়মতান্ত্রিক প্যাটার্ন দেখা যায়নি। ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশন শারীরিক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫৬টি ঘটনার প্রতিবেদন পেয়েছে; যার ফলে ২৭টি জেলায় কমপক্ষে ২০০ জন আহত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে যুক্ত পাঁচ জনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেছে। ইভার্স ইজাবস জানান, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে কাজ করেছে এবং অংশীজনদের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনী আইনি কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপযোগী হলেও আইনি নিশ্চয়তা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে আরও সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। কমিশন গণমাধ্যমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ বজায় রেখেছে, তবে কঠোর প্রচারণা বিধি সব ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় পক্ষপাতের অভিযোগও উঠেছে। নির্বাচন প্রস্তুতি পেশাদারত্বের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ইইউ পর্যবেক্ষক দলের প্রধান। তিনি জানান, বিদেশে থাকা প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন। ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি নির্বাচনকর্মী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং সামগ্রী বিতরণও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। তবে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র প্রতিবন্ধী ও সীমিত চলাচলক্ষম ভোটারদের জন্য সহজ প্রবেশযোগ্য ছিল না। ভোট গণনা ও ফল সংকলন মোটামুটি দক্ষতার সঙ্গে হলেও কিছু ক্ষেত্রে অখ-তা রক্ষার ব্যবস্থা পুরোপুরি অনুসরণ হয়নি এবং তিনটি ঘটনায় ফল সংকলনে স্বচ্ছতার ঘাটতি লক্ষ্য করা হয়েছে। তবুও দলীয় এজেন্টদের উপস্থিতি এবং নিয়মিত ফল প্রকাশ জনআস্থা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। ইইউ প্রতিনিধি দল জানায়, প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ৬০০-এর বেশি আপিল নিষ্পত্তি এবং দুই-তৃতীয়াংশ প্রার্থী পুনর্বহালকে ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তিনি বলেন, দুই হজারের এর বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ভোটাররা বিস্তৃত রাজনৈতিক বিকল্প পেয়েছেন। প্রচারণা ছিল প্রাণবন্ত এবং প্রার্থীরা সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করেছেন, যদিও শেষদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারস্পরিক অভিযোগ বেড়ে যায়।গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভারসাম্যপূর্ণ কাভারেজ ও বিতর্ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেও সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ এবং চাপের কারণে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনের পরিসর সীমিত বলে উল্লেখ করা হয়। নাগরিক সমাজের ভূমিকার প্রশংসা করে ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান বলেন, ৮১টি নাগরিক পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে এবং তরুণ কর্মীরা দেশজুড়ে ভোটার শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে গণতান্ত্রিক চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, এর মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক। এটাই ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।অন্যদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমনের ঘটনা দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। গতকাল শনিবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের চেয়ার ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষক দলের কাছে কোনো সরাসরি রিপোর্ট পাওয়া যায়নি যে, কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠী নির্বাচনের সময় আক্রান্ত হয়েছে। তবে আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু অঞ্চলে সংখ্যালঘু ভোটার উপস্থিতির হার কম ছিল এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটাররা তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এটি আমাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এটি একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত। আকুফো-আডো আরও বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পর্যবেক্ষকরা দেখেছেন, যদিও দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল (আওয়ামী লীগ) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি, তবুও প্রায় সব প্রার্থীর জন্য ভোটাধিকার, প্রার্থী নিবন্ধন এবং ফল গণনা প্রক্রিয়া উন্মুক্ত ছিল। প্রায় ২ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের প্রধান বলেন, ভোটের সময় কোনো বড় ফ্রড বা জালিয়াতি দেখা যায়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কিছু ছোটখাটো অনিয়ম হলেও আপিল প্রক্রিয়া এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়েছে। কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রধান বলেন, কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে উত্তেজনার বিচ্ছিন্ন ঘটনা লক্ষ্য করেছে। আমরা সব অংশীদারদের নির্বাচন-পরবর্তী সময়কালে শান্ত ও শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখা এবং প্রাসঙ্গিক আইনি মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য উৎসাহিত করি।মিশন প্রধান বলেন, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য আমি বাংলাদেশের জনগণ, নির্বাচন কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং অন্তর্বর্তী সরকারসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করি। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ের নির্বাচনী চক্রের দিকে তাকিয়ে, আমরা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা পরিচালনা করার জন্য উৎসাহিত করি, যাতে ভালো অনুশীলনের লক্ষ্যে সব পর্যবেক্ষকের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধান বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের আকাক্সক্ষা পূরণের জন্য তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছে। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতে ভাগাভাগিতে উদার এবং ঐক্যবদ্ধ হতে উৎসাহিত করি। জুলাই সনদ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নতুন সরকারকে কি পদক্ষেপ নিতে হবে- এক সাংবাদিকের করা এমন প্রশ্নের জবাবে আকুফো-আডো বলেন, রেফারেন্ডামের (গণভোট) মাধ্যমে জুলাই সনদের শর্তাবলী বৈধতা পেয়েছে এবং এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। এটি নতুন সংসদ এবং সরকারের ওপর প্রযোজ্য। সনদ বাস্তবায়নের দায় ভোটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণের স্বীকৃতির মাধ্যমে এটি আরও শক্তিশালী হয়েছে।


Share this story

Read Original at dailyinqilab.com

Related Articles

dailyinqilab.com1 day ago
আমাদের যুবসমাজ বর্তমানে হতাশ : নজরুল ইসলাম খান

Published: 20260221T103000Z

dailyinqilab.com1 day ago
কলকাতায় মারা গেলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম

Published: 20260221T070000Z

dailyinqilab.com2 days ago
৯১ % আসনে উজ্জীবিত বিএনপি

Published: 20260220T184500Z

dailyinqilab.com3 days ago
ব্যতিক্রমী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Published: 20260219T193000Z

dailyinqilab.com3 days ago
পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে

Published: 20260219T193000Z

dailyinqilab.com4 days ago
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের বিবৃতি

Published: 20260218T180000Z