NewsWorld
PredictionsDigestsScorecardTimelinesArticles
NewsWorld
HomePredictionsDigestsScorecardTimelinesArticlesWorldTechnologyPoliticsBusiness
AI-powered predictive news aggregation© 2026 NewsWorld. All rights reserved.
Trending
FebruaryStrikesAnnouncesNewsDigestTimelineMilitaryEuropeanInfrastructureGovernmentDailyCrisisSafetyBankingMajorAnnouncementMondayMediaTensionsTrumpHealthClonidineNorthKorea
FebruaryStrikesAnnouncesNewsDigestTimelineMilitaryEuropeanInfrastructureGovernmentDailyCrisisSafetyBankingMajorAnnouncementMondayMediaTensionsTrumpHealthClonidineNorthKorea
All Articles
এখনো সক্রিয় ১২৭ কিশোর গ্যাং | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
bd-pratidin.com
Published about 5 hours ago

এখনো সক্রিয় ১২৭ কিশোর গ্যাং | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

bd-pratidin.com · Feb 23, 2026 · Collected from GDELT

Summary

Published: 20260223T023000Z

Full Article

ফের নতুন করে রাজধানীতে শুরু হয়েছে কিশোর গ্যাং সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। কয়েক দিনে এই অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে শিশু হত্যাসহ চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীদের মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন করে সব থানা পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এম নজরুল ইসলাম গতকাল রবিবার বলেন, ‘কিশোর গ্যাং চক্রের অপরাধ দীর্ঘদিনের সমস্যা। তাদের নিয়ন্ত্রণে নতুন করে অভিযান শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই অপরাধীদের নিয়মিত আটক ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। সর্বশেষ আদাবরে চাঁদাবাজির ঘটনায় কিশোর গ্যাং চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।’ ডিএমপির তথ্য অনুসারে, গত চার বছরে রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে অন্তত পাঁচ হাজারের বেশি কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড মারাত্মক সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। যে বয়সে তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার কথা, ওই সময়ে তারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হত্যা, চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবার থেকে শুরু করে ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধেও তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ছে। গতকাল ডিএমপির একাধিক থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এলাকায় মাদক কারবার, চাঁদাবাজিসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত। এদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নতুন করে অভিযান শুরু করেছে। গত কয়েক দিনে রাজধানীর অন্তত ৩৫টি থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি থানা এলাকায় কিশোরদের বড় একটি অংশ ‘গ্যাং কালচারে’র সঙ্গে সম্পৃক্ত। এদের নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত রাখা হলেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্র বলছে, রাজধানীর প্রতিটি থানা এলাকায় একাধিক কিশোর গ্যাং নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এদের নিয়ন্ত্রণ করা বড় চ্যালেঞ্জ। কিশোর অপরাধীদের অপরাধের সরকারি পৃথক কোনো তথ্যভাণ্ডার নেই। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্য বলছে, ২০২২ সালে দেশে ১৭৩টি কিশোর গ্যাং অপরাধী চক্র ছিল। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩৭টিতে। এর মধ্যে রাজধানীতে এখনো সক্রিয় ১২৭টি কিশোর গ্যাং। এরা বিভিন্ন থানা এলাকায়, পাড়া-মহল্লায় ছোট-বড় গ্রুপে নানা অপরাধে জড়িত। এদের বড় ভাইদের ভূমিকায় রয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু নেতা। এসব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ইভ টিজিং, ছিনতাই, চুরি, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার এমনকি হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধে জড়াচ্ছে। শুধু রাজধানী নয়, পুরো দেশের চিত্রই প্রায় এক। এ অবস্থায় কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেই। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা দেশে অন্তত ২৩৭টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই কিশোর গ্যাংগুলো এখনো সক্রিয়। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, ‘চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক কারবার প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে হবে।’ গতকাল বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের সব পুলিশ ইউনিটপ্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় আইজিপি এই নির্দেশনা দেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে প্রায় ৬৯ শতাংশ কিশোর অপরাধী দারিদ্র্যের কারণে অপরাধ জগতে প্রবেশ করে। এ ছাড়া মা-বাবার অবহেলা, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক নানা কারণে কিশোরদের মানসিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। এসব কারণ তাদের অপরাধপ্রবণ করে তোলে। এ ছাড়াও মাদকাশক্তি, পর্নোগ্রাফি, উগ্রতা, অপরাধপ্রবণতা, লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি ইত্যাদি কারণে কিশোর অপরাধ বেড়ে চলেছে। আদাবরে চাঁদাবাজি : স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজচক্রের সন্ত্রাসীরা গত শনিবার রাজধানীর আদাবরে একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলা চালায়। এ সময় তারা কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেড় শতাধিক লোক হামলার বিচারের দাবিতে আদাবর থানা ঘেরাও করে। ডিএমপির মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাসেল, তাঁর সহযোগী মারুফ ও হাসানসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।’ এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের ভাতিজা মারুফ হাসান সুমন জানান, তাঁর চাচা আবির মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের কারখানায় শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্যরা হামলা চালায়। চাঁদা না পেয়ে তারা ওই কারখানার কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে জখম করে। ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাং চক্রের দলনেতা কালা রাসেল। সামনে ঈদ। এ উপলক্ষে চাঁদা দাবি করে তারা আগাম টাকা চেয়ে হুমকি দেয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় শনিবার সন্ধ্যায় রাসেলের নেতৃত্বে ১০/১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্য কারখানায় হামলা চালায়। এ সময় কারখানার কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এই ঘটনার বিচারের দাবিতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে আদাবর থানা ঘেরাও করেন এমব্রয়ডারির মালিক ও শ্রমিকরা। তাঁদের আদাবর থানার সামনের সড়কে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই কারখানায় শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সময় ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ চাপাতি নিয়ে হামলা চালায়। তারা আগে থেকেই কারখানাটির ওপর নজর রাখছিল। শুধু ওরা নয়, এ এলাকায় আরো অন্তত সাতটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ রয়েছে। ছিনতাই-চাঁদাবাজি বন্ধে বসছে ৫৫০ সিসি ক্যামেরা : রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে ৫৫০টি সিসি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, বিএনপি বা সরকারদলীয় পরিচয়ে কাউকে চাঁদাবাজি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। গতকাল সকালে রাজধানীর জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নির্বাচনের সময় আহত চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ছুরি মেরে শিক্ষার্থী হত্যা : শুধু চাঁদাবাজি নয়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় এক শিক্ষার্থীকে ছুরি মেরে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে কিশোর গ্যাং অপরাধীদের বিরুদ্ধে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পর স্থানীয় একটি গলিতে সংবদ্ধ কিশোর গ্যাং সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। নিহত কিশোরের নাম মাহিম মিয়া (১৫)। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বেতাল গ্রামের দীন ইসলামের ছেলে সে। পরিবারের সঙ্গে কাজলা এলাকায় বসবাস করত। নিহত মাহিম মিয়া স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুল ইসলাম বলেন, কিশোর মাহিম মিয়া হত্যার ঘটনায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে। সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ


Share this story

Read Original at bd-pratidin.com

Related Articles

bd-pratidin.comabout 5 hours ago
হত্যার শিকার হওয়ার শঙ্কায় উত্তরাধিকারী নিযুক্ত করলেন খামেনি |

Published: 20260223T023000Z

bd-pratidin.comabout 18 hours ago
জনগণের চাওয়া - পাওয়া পূরণই সরকারের লক্ষ্য : তথ্যমন্ত্রী |

Published: 20260222T134500Z

bd-pratidin.com1 day ago
সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল আলবেনিয়া , প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা |

Published: 20260221T160000Z

bd-pratidin.com2 days ago
কী দেখলাম , কী দেখব | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published: 20260220T194500Z

bd-pratidin.com3 days ago
জাতিসংঘকে কড়া চিঠি , আমেরিকাকে ছাড়বে না ইরান |

Published: 20260220T131500Z

bd-pratidin.com4 days ago
ইরান ঘিরে নজিরবিহীন সেনাসমাবেশ ঘটাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র |

Published: 20260219T104500Z