NewsWorld
PredictionsDigestsScorecardTimelinesArticles
NewsWorld
HomePredictionsDigestsScorecardTimelinesArticlesWorldTechnologyPoliticsBusiness
AI-powered predictive news aggregation© 2026 NewsWorld. All rights reserved.
Trending
AlsNewsFebruaryMajorDane'sResearchElectionCandidateCampaignPartyStrikesDigestSundayTimelinePrivateCrisisPoliticalEricBlueCreditFundingRamadanAdditionalLaunches
AlsNewsFebruaryMajorDane'sResearchElectionCandidateCampaignPartyStrikesDigestSundayTimelinePrivateCrisisPoliticalEricBlueCreditFundingRamadanAdditionalLaunches
All Articles
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভা
chandpurtimes.com
Clustered Story
Published 4 days ago

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভা

chandpurtimes.com · Feb 18, 2026 · Collected from GDELT

Summary

Published: 20260218T101500Z

Full Article

নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের পথচলা শুরু হলো। গতকাল মঙ্গলবার দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। এদিন জাতীয় সংসদ ভবনের স্মৃতিময় দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নীচে শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। প্রধানমন্ত্রীর পর আড়ম্বরপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীও শপথ নেন। এ সময় বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিদের মধ্যে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জো, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরীসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। শপথ গ্রহণের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী কাঠামোর ওপর দাঁড় করানোর অঙ্গীকার করেন। বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস নতুন সরকারের সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছে, শরীরের অঙ্গ হারিয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছে, যাদের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে, যাদের লাশ এখনো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, যারা অল্পের জন্য বেঁচে গেছে তাদের সবার আত্মত্যাগকে এ জাতি যেন কোনোদিন ভুলে না যায়। প্রতিটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমরা যেন তাদের ছবি মনে রেখে সিদ্ধান্ত নিই।’ তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন তিনটা ৫৫ মিনিটে। এ সময় সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি ও সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক এ মুহূর্তের সাক্ষী হতে দেশি-বিদেশি অসংখ্য সাংবাদিক, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের ঢল নামে। সড়কের দুই পাশে নতুন মন্ত্রীদের স্বাগত জানাতে নিজ নিজ এলাকার মানুষকে ফুল নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তবে ঐতিহাসিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের কোনো নেতাকে শপথ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। হাজারো প্রাণের বিনিময়ে জুলাই বিপ্লবে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরশাসকের পতন ও পলায়নের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল বিএনপি সরকার। প্রায় দুই দশক ধরে দেশ গণতন্ত্রহীন থাকার পর ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি। গত ৩৬ বছরের মধ্যে তারেক রহমানই প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী যা দেশের রাজনৈতিতে এক বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিন সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এস এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয় সংসদ সদস্য ও গণপরিষদ সদস্য হিসেবে দুটি শপথের ব্যবস্থা করলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা একবার (সংসদ সদস্য হিসেবে) শপথ নেন। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিত সদস্যরা দু’বারই শপথ নেন। বিকালে শপথ অনুষ্ঠানের পর নতুন সরকারের সাফল্য কামনা করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা শুরু হলো। এক যুগসন্ধিক্ষণে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের শুভ সূচনা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মানুষের মনে যে বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে তারেক রহমানের সরকার সেটিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে, এমন প্রত্যাশার কথাও জানান বিদায় নেওয়া উপদেষ্টারা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, উপমহাদেশে বাবা, মা ও সন্তান প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে তারেক রহমান অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। পিতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান। এর আগে শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট এসডি বন্দরনায়েকে, তার স্ত্রী বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে এবং তাদের সন্তান প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। ভারতে বাবা জওহরলাল নেহরু প্রধানমন্ত্রী, মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী ও ইন্দিরার ছেলে রাজীব গান্ধী অর্থাৎ জওহরলাল নেহরুর নাতি প্রধানমন্ত্রী হন। পাকিস্তানে জুলফিকার আলি ভুট্টো ও তার মেয়ে বেনজির ভুট্টো প্রধানমন্ত্রী এবং পরে বেনজিরের স্বামী আসিফ আলি জারদারি প্রেসিডেন্ট হন। প্রায় দুই দশক বাংলাদেশ গণতন্ত্রহীন থাকার পর ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি। ইতিহাসসেরা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী দলটি গতকাল সরকার গঠন করে। খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শেষ করার ২০ বছর পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ছেলে তারেক রহমান। তিনিই বিএনপির এ ভূমিধস বিজয়ের কারিগর। এর আগে ২০০১ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির ভূমিধস বিজয়ের নেপথ্যের কারিগরও ছিলেন তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এ নির্বাচনকে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের আগে তারেক রহমান প্রধান বিরোধী দলীয় নেতাসহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বাসভবনে গিয়ে তাদের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যা রাজনৈতিক সৌজন্যতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচিত সরকার গঠিত হওয়ায় জনগণের মধ্যে ‘সতর্ক আশাবাদ’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা আশা করছে, এই সরকার দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে এবং ঝিমিয়ে পড়া পোশাক শিল্প ও আমদানি-রপ্তানিসহ সার্বিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফেরানো ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। ১৮ মাস অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনের পর একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরকে দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হিসেবে দেখছে। যদিও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিরোধী জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের জোটসঙ্গী এনসিপি যায়নি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধীনে অতিরিক্ত শপথ নিতে বিএনপির অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তারা এ সিদ্ধান্ত নেয়। এ বিষয়ে বিএনপির বক্তব্য হচ্ছে, বিষয়টি আগে সংবিধানে সন্নিবেশিত হতে হবে এবং বিধি বিধান তৈরি করতে হবে। মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে আসলেন যেসব মন্ত্রী নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৫ জন। প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারা। এদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, সালাহউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। টেকনোক্র্যাট কোটায় ড.খলিলুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও আবদুল আউয়াল মিন্টুকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়,মিজানুর রহমান মিনুকে ভূমি মন্ত্রণালয়, নিতাই রায় চৌধুরীকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়,আরিফুল হক চৌধুরীকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জহির উদ্দিন স্বপনকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আমিন উর রশিদকে (টেকনোক্র্যাট) কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়, আফরোজা খানম রিতাকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়,শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, আসাদুল হাবীব দুলুকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, মো.আসাদুজ্জামানকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়,দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়,আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়,ফকির মাহবুব আনামকে ডাক,টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, শেখ রবিউল আলমকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিএনপির দলীয় সূত্র এসব তথ্য জানায়। প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন যারা শপথ নেয়া ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয় গতকাল বিকালে। এর আগে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ২৪ জনের মধ্যে এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, শরীফুল আলম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; শামা ওবায়েদ ইসলাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়; ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি মন্ত্রণালয়, ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আব্দুল বারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়াও শপথ নেয়া প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি অর্থ, পরিকল্পনা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ফারজানা শারমিন পুতুল মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ইয়াসের খান চৌধুরী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, এম ইকবাল হোসেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, এমএ মুহিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; আহমেদ সোহেল মঞ্জুর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ববি হাজ্জাজ শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আলী নেওয়াজ খৈয়াম সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া হাবিবুর রশিদ হাবিব ও রাজিব আহসানকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিএনপির দলীয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সাউথ প্লাজায় এলেন যেসব বিদেশি অতিথি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতা ও উচ্চপর্যায়ের প্র


Share this story

Read Original at chandpurtimes.com

Related Articles

dailyinqilab.com3 days ago
ব্যতিক্রমী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Published: 20260219T193000Z

dailyjanakantha.com4 days ago
নির্বাসন থেকে ফিরেই ৫৪ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Published: 20260218T194500Z

bd-pratidin.com5 days ago
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের শপথ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published: 20260217T221500Z

ntvbd.com5 days ago
গণতান্ত্রিক পুনরুত্থানের অগ্রনায়ক তারেক রহমান

Published: 20260217T193000Z

dailyinqilab.com5 days ago
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান , গেজেট প্রকাশ

Published: 20260217T180000Z

dailyjanakantha.com5 days ago
নির্বাসন থেকে ফিরেই ৫৪ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Published: 20260217T163000Z