NewsWorld
PredictionsDigestsScorecardTimelinesArticles
NewsWorld
HomePredictionsDigestsScorecardTimelinesArticlesWorldTechnologyPoliticsBusiness
AI-powered predictive news aggregation© 2026 NewsWorld. All rights reserved.
Trending
FebruarySignificantMilitaryTimelineFederalDigestChinaDiplomaticTensionsCompanyFridayFaceParticularlyTurkeyTalksStateIranDrugEscalatingGovernanceCaliforniaTargetingDespiteDisease
FebruarySignificantMilitaryTimelineFederalDigestChinaDiplomaticTensionsCompanyFridayFaceParticularlyTurkeyTalksStateIranDrugEscalatingGovernanceCaliforniaTargetingDespiteDisease
All Articles
সক্ষমতা যাচাইয়ে এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায় এনসিপি
risingbd.com
Published about 7 hours ago

সক্ষমতা যাচাইয়ে এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায় এনসিপি

risingbd.com · Feb 27, 2026 · Collected from GDELT

Summary

Published: 20260227T180000Z

Full Article

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছয়টি আসনে জয়লাভের মধ্যে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নজর এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে। সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে অংশ নিলেও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপি একাই পথ চলার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইতোমধ্যেই তৃণমূলের কর্মীদের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে প্রার্থী নির্বাচনের জন্য ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে জাতীয় নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় নির্বাচনে নিজেদের সক্ষমতার পরীক্ষা করতে যায় দলটি। এনসিপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সুযোগে তৃণমূলের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে দলকে ভালোভাবে পরিচিত করতে হবে। তবে, জোটের রাজনীতিতে শেষ মুহূর্তে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে এখনো ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ নীতিতে আছে দলটি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের সমীকরণ ও একক যাত্রার চ্যালেঞ্জ সংসদ নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি জোট কার্যকর থাকলেও আসন্ন স্থায়ী সরকার নির্বাচনের তৃণমূল পর্যায়ে এই জোট কার্যকর থাকবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে, এনসিপির নেতাদের একটি বড় অংশ মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ থাকলে দলের স্বতন্ত্র ইমেজ এবং ‘জেনারেশন জেড’ বা তরুণ ভোটারদের কাছে তাদের যে আবেদন, তা ক্ষুণ্ন হতে পারে। এনসিপির শীর্ষ নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তারা স্থানীয় পর্যায়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক জোট নাও করতে পারেন। এর পরিবর্তে তারা জুলাই অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির একক যাত্রার নেপথ্যে কারণ হলো তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করা। সংসদ নির্বাচনে জোটের কারণে এনসিপির প্রকৃত ভোট ব্যাংক কতটুকু, তা স্পষ্ট হয়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনই হবে তাদের মাঠপর্যায়ের সক্ষমতা যাচাইয়ের মূল ক্ষেত্র। এছাড়া, স্বতন্ত্র ইমেজ রক্ষাও আরেকটি কারণ। জোটের শরিক, বিশেষ করে রক্ষণশীল দলগুলোর সাথে দীর্ঘমেয়াদী ঐক্য এনসিপির প্রগতিশীল ও নাগরিক সমাজকেন্দ্রিক ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলতে পারে বলে দলের একাংশ মনে করে। সারা দেশে দলের সাংগঠনিক ভিত মজবুত করতে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রার্থী দেওয়াকে কৌশল হিসেবে দেখছে এনসিপির হাই-কমান্ড। এনসিপির দলীয় সূত্র বলছে, জামায়াতে ইসলামীর মতো সুসংগঠিত দলের বিপরীতে এককভাবে লড়া এনসিপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে, গ্রামাঞ্চলে জামায়াতের যে সাংগঠনিক শক্তি, তা মোকাবিলা করে জয় ছিনিয়ে আনা সহজ হবে না। তবে, দলটির নীতিনির্ধারকরা আশাবাদী যে, সংসদ নির্বাচনে যে ছয়টি আসনে তারা জয় পেয়েছেন, তার প্রভাবে স্থানীয় নির্বাচনেও চমক দেখানো সম্ভব। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী বাছাইয়ের চ্যালেঞ্জ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে কিছু কঠোর ও আধুনিক মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী হতে হলে প্রাথমিক ও প্রধান শর্ত হলো—জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ। যারা রাজপথে থেকে লড়াই করেছেন বা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকা চলবে না। বিশেষ করে, গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের সুবিধাভোগী বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কোনোভাবেই মনোনয়ন দেওয়া হবে না। প্রার্থীকে ক্লিন ইমেজ ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে। এনসিপি মূলত তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়। তাই, ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষিত, দক্ষ এবং নতুন ধারার চিন্তা করতে পারেন, এমন তরুণ প্রার্থীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ছাত্র রাজনীতি বা সামাজিক সংগঠনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তরুণরাই দলটির মূল পছন্দ। স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা ও পরিচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেবে দলটি। কেবল কেন্দ্রীয় লবিং নয়, বরং তৃণমূলের সাধারণ মানুষের কাছে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তা যাচাই করা হবে। স্থানীয় সমস্যার সমাধান এবং আধুনিক প্রশাসন পরিচালনার সক্ষমতা আছে কি না, এতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষিত পেশাজীবী, যেমন: শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক বা তরুণ উদ্যোক্তা—এ ধরনের প্রার্থীদের মনোনয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নি‌য়ে এন‌সি‌পির তৃণমূলের নেতারা যা ভাবছেন আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এখন জোরালো আলোচনা চলছে। বিশেষ করে, নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ এবং জল্পনা-কল্পনা। দলের কেন্দ্রীয় নীতির সঙ্গে স্থানীয় বাস্তবতার সমন্বয়, প্রার্থী বাছাই এবং জয়ের কৌশল নির্ধারণ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এনসিপির নেতারা। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আনাগোনাও বেড়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রার্থী হওয়ার জন্য বরিশাল বিভাগ থেকে রাজধানীর বাংলা মোটরের এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসা এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা টেলিভিশনে অনেক ইতিবাচক কথা বলেন, কিন্তু ওয়ার্ড পর্যায়ে এখনো শক্তিশালী কমিটি হয়নি। তৃণমূলের সাথে কেন্দ্রের দূরত্ব দ্রুত কমিয়ে আনা দরকার। যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের মতামতের প্রতিফলন চাই আমরা। কেন্দ্রের বড় নেতাদের সঙ্গে লবিং আছে, কিন্তু অযোগ্য; এমন প্রার্থী দিলে ভড়াডুবি হবে।” এনসিপির ঢাকা মহানগরীর নিউমার্কেট থানার যুগ্ম সমন্বয়কারী মামুন রশিদ রতন রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেছেন, “আমরা চাই এমন নেতা, যিনি আমাদের দুঃখ বুঝবেন। কেন্দ্রে কার নাম আলোচনা হচ্ছে, সেটা বড় কথা নয়; বরং পাড়া-মহল্লায় কার গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং বিপদে কাকে পাশে পাওয়া যাবে, তৃণমূল সেটাই দেখছে। দল যদি শুধু লবিং দেখে প্রার্থী দেয় আর মাঠের কর্মীদের চেনা মুখগুলোকে বাদ দেয়, তবে জয় পাওয়া কঠিন হবে।” এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো জোট ছাড়াই এককভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি। তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের শক্তি যাচাই এবং জনসমর্থন সুসংহত করার লক্ষ্যেই দলটি এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপকে দলটির অস্তিত্ব জানান দেওয়ার ক্ষেত্রে সাহসী প্রয়াস হিসেবে দেখছে অনেকে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম বলেছেন, “এনসিপি এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে।” এ সময় তিনি মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। সারজিস আলম বলেন, “দ্রুত প্রাথমিকভাবে প্রার্থী যাচাই বাছাই শুরু করব। উপজেলা এবং সাংগঠনিক অঞ্চলে গিয়ে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে আমাদের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। মানুষের কাছে যে নেতাকর্মীর গ্রহণযোগ্যতা যত বেশি থাকবে, তারাই মনোনয়ন পাবে। এখন পর্যন্ত এনসিপি ও জামায়াত এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে প্রস্তুতি নিচ্ছে। জোটকেন্দ্রিক স্থানীয় নির্বাচন হবে কি না, শেষ সময়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।” এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা জন্য ৬ সদস্যে কমিটি গঠন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আব্দুল হান্নান মাসউদ এমপি। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ এবং অ্যাডভোকেট মঞ্জিল ঝুমা। ঢাকার দুই সিটিতে আলোচনায় এনসিপির যেসব প্রার্থীর নাম ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে দলের ভিতর-বাইরে। এনসিপি সূত্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এই দুটি সিটি কর্পোরেশনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে, এক সপ্তাহের মধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে এনসিপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় আছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অন্যদিকে, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন। তবে, কে চূড়ান্ত প্রার্থী হবেন, তা এখনো ঘোষণা হয়নি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সর্দার আমিরুল ইসলামের নামও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অংশগ্রহণ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “আমি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে নির্বাচন করার চেষ্টা করব। দলের প্রাথমিক আলোচনায় দুই সিটি কর্পোরেশনে আমি এবং আসিফ মাহমুদ আলোচনায় আছি। তবে, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে দলের পক্ষ থেকে আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।” স্থানীয় সরকার নির্বাচন নি‌য়ে এন‌সি‌পি কী ভাবছে, জানতে চাইলে দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সাথে সাথে যাতে আমরা প্রার্থী দিতে পারি, সেই পরিকল্পনা নিয়েই আমরা কাজ করছি। তবে, সিটি কর্পোরেশনগুলোতে দলীয় প্রশাসক থাকা অবস্থায় নির্বাচন মেনে নেওয়া হবে কি না, সেটি একটি প্রশ্ন থাকে। আশা রাখি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা ভালো করব।” রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেছেন, “এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি খুবই ইতিবাচক দিক। তারা যদি এটি জাতীয় নির্বাচনে করতে পারত, তাহলে তারা আরো ভালো করত। এখন তাদের সামনে আরেকটি সুযোগ এসেছে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ার। এসিপি যদি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারে, তাহলে দেশের রাজনীতিতে তাদের অবস্থান আরো পাকাপোক্ত হবে।”


Share this story

Read Original at risingbd.com

Related Articles

risingbd.com2 days ago
ট্রাম্পের হুমকির মধ্যেই আলোচনায় বসছে ইরান - যুক্তরাষ্ট্র

Published: 20260226T053000Z

South China Morning Postabout 1 hour ago
Hong Kong landlords split over costly upgrades to meet subdivided housing law

Some Hong Kong landlords have spent millions renovating their subdivided flats to be among the first to meet the new standards coming into effect on March 1, but many others remain taken aback by the high costs and are unsure whether to proceed. Building experts have also warned of the challenges facing landlords seeking certification under the new law, including meeting waterproofing and fire safety requirements, which will require professional advice and supervision. Matthew Lau Chi-kwong, a...

South China Morning Postabout 1 hour ago
Why ‘twin look’ of North Korea’s Kim Jong-un, daughter sparks succession talk

During North Korea’s latest military parade, images of its leader Kim Jong-un and his daughter wearing near-identical leather coats have prompted Pyongyang observers to speculate whether the stage is set for the next chapter in the ruling family’s history. For them, the “twin look” is another instance of carefully directed political theatre to burnish the standing of the Kims in the reclusive country for the long term. At the close of the ruling Workers’ Party’s ninth congress on Wednesday...

Bloombergabout 1 hour ago
Raising Cane's CEO on International Expansion Plans

AJ Kumaran, COO and Co-CEO of Raising Cane’s, discusses the restaurant chain’s growth. He tells Romaine Bostick and Bailey Lipschultz on “The Close” that the company has no plans to go public. (Source: Bloomberg)

Bloombergabout 1 hour ago
Charlotte Hornets Aim to Generate Buzz Under New Owners

Shelly Cayette-Weston, President of Business Operations for the Charlotte Hornets, discusses the team’s strategic initiatives to enhance the fan experience and drive economic development in Charlotte. She speaks with Romaine Bostick and Bailey Lipschultz on “The Close.” (Source: Bloomberg)

Wiredabout 1 hour ago
18 Best Wireless Chargers, All Tested and Reviewed (2026)

Stop fumbling for cables in the dark. These WIRED-tested stands and pads will take the hassle out of refueling your phone, wireless earbuds, and watch.