
thebengalitimes.com · Feb 22, 2026 · Collected from GDELT
Published: 20260222T140000Z
কিছু লোক গণভোট নিয়ে এখনো হাবিজাবি মন্তব্য করেই চলেছেন তাদের উদ্দেশ্য পরিস্কারকিছু লোক গণভোট নিয়ে এখনো হাবিজাবি মন্তব্য করেই চলেছেন। তাদের উদ্দেশ্য পরিস্কার। বিএনপির মোশাররফ হোসেন ঠাকুরের একটা ভিডিও দেখলাম, তিনিও গণভোট নিয়ে বিষোদগার করেই চলেছেন। কেউ কেউ বিএনপির মেজর হাফিজের গণভোট বিরোধী পুরনো বক্তব্য যা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন তা নুতন করে ফেসবুকে ছেড়ে বিভ্রান্তি তৈরী করছেন। আমির খসরু, মেজর হাফিজসহ অনেকেই হয়তো গণভোট বিরোধী ছিলেন। কিন্তু বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগেই বিষয়টি ক্লিয়ার করে হ্যা ভোট দেবার জন্যে জনগণকে আহবান করেছিলেন।যা হোক সংবিধানের দোহাই দিয়ে গণভোট অবৈধ বলা হলে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কি অবৈধ নয়? সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবার কথা ২০২৯ সালে। সংবিধান অনুযায়ী ২০২৪ এর পার্লামেন্ট এখনো বহাল থাকার কথা কারণ এখনো নুতন পার্লামেন্টের সদস্যরা শপথ নেন নি। সংবিধান অনুযায়ী অন্তবর্তী সরকারের কোন অস্তিত্ব থাকার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট থেকে ২০২৪ এর পার্লামেন্টের কোন অস্তিত্ব নাই। বাস্তবতা হলো, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এবং গণভোটে হ্যা জয়ী হয়েছে।- Advertisement -কিছু লোকের উদ্দেশ্যই হলো প্যাচ লাগিয়ে সারা বছর দেশের মধ্যে একটা গোলমাল লাগিয়ে রাখা। সংস্কার প্রস্তাব গণভোটে পাস হলেও নানান জটিলতা সামনে আসবে। তবে সংস্কার প্রস্তাবের মুল কথা ছিল ভবিষ্যতে কেউ যাতে স্বৈরাচার না হতে পারে। ইচ্ছেমত সংবিধান সংশোধন না করতে পারে। জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন কায়েম করতে বাধ্য হয়। কাজেই যারা এর বিরোধিতা করবে তাদের উদ্দেশ্য হলো, স্বৈরাচারী ব্যবস্হা কায়েম রাখা। যাতে তারা রাজনীতির ব্যবসাটা চালিয়ে যেতে পারে। কেউ গাছেরটা খাবে আর কেউ তলারটা।কিছুক্ষণ আগে ঢাকার একজন বিএনপির নুতন এমপি এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে চমৎকার বলেছেন, কেউ ব্যবসা বাণিজ্য করে আয় রোজগার করবে, আর কেউ তাদের কাছে চাঁদাবাজি করে ফাউ সংসার চালাবে। এইসব চাঁদাবাজদের আবার নানা ধরণ। ধরণ নিয়ে পরে একদিন লিখবো।- Advertisement -